সমস্যা সমাধান ভিশন FAQ পিটিশন সই করুন →
জাতীয় পিটিশন ২০২৬  ·  LiveCure Life

এক ক্লিকে নিরাপত্তা

জরুরি মুহূর্তে একজন মানুষ যেন কখনও একা না থাকে।

LiveCure Life is building a nationwide emergency response ecosystem — where every citizen can access help, support, and safety through a single click, anywhere in Bangladesh.

সর্বশেষ স্বাক্ষরদাতারা
এখন পর্যন্ত ১২,৮৪৭ জন স্বাক্ষর করেছেন
Emergency SOS লাইভ লোকেশন Blood Network Mental Health AI নারী নিরাপত্তা Road Response দুর্যোগ সহায়তা Volunteers Emergency SOS লাইভ লোকেশন Blood Network Mental Health AI নারী নিরাপত্তা Road Response দুর্যোগ সহায়তা Volunteers
কেন এই উদ্যোগ?

বাংলাদেশের জরুরি সংকট

প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ সময়মতো সহায়তার অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

১৮,০০০+
নিখোঁজ ব্যক্তিপ্রতি বছর গড়ে ১৮ হাজারেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ হয়।
২৫,০০০+
সড়ক দুর্ঘটনাপ্রতি বছর হাজার হাজার প্রাণহানি ও আহতের ঘটনা।
৩ লক্ষ+
রক্তের জরুরি চাহিদাসঠিক সময়ে রক্ত না পেয়ে অনেক রোগীর মৃত্যু।
১ কোটি+
মানসিক স্বাস্থ্য সংকটকোটির অধিক মানুষ মানসিক সমস্যায় ভুগছে।
৮৩%
নারীর নিরাপত্তাহীনতা৮৩% নারী পাবলিক পরিসরে নিরাপদ বোধ করেন না।
আমাদের সমাধান

LiveCure Life কীভাবে সমাধান দিচ্ছে?

একটি প্ল্যাটফর্ম — অনেক সমাধান। জরুরি মুহূর্তে এক ক্লিকেই সহায়তা।

জরুরি SOS সহায়তা
একটি বাটনেই ইমার্জেন্সি কন্টাক্টে তাৎক্ষণিক অ্যালার্ট। সেকেন্ডের মধ্যে সাহায্য পৌঁছাবে।
আরও জানুন
লাইভ লোকেশন ট্র্যাকিং
রিয়েল-টাইম লোকেশন আপডেট। পরিবার ও সাহায্যকারীরা তাৎক্ষণিকভাবে অবস্থান জানতে পারবেন।
আরও জানুন
ইমার্জেন্সি ব্লাড সাপোর্ট
অবস্থান ভিত্তিক রক্তদাতা খোঁজার স্বয়ংক্রিয় সিস্টেম। দ্রুত সংযোগ, দ্রুত সমাধান।
আরও জানুন
মানসিক স্বাস্থ্য AI
২৪/৭ AI-চালিত মানসিক সহায়তা। যেকোনো সময় কথা বলো, মনের ভার হালকা করো।
আরও জানুন
কমিউনিটি রেসপন্স নেটওয়ার্ক
প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবীরা তাৎক্ষণিক সাড়া দিতে পারবেন। সমাজের প্রতিটি মানুষ একজন সাহায্যকারী।
আরও জানুন
নারী ও শিশু নিরাপত্তা
নারী ও শিশুদের জন্য বিশেষ জরুরি সহায়তা ব্যবস্থা। নিরাপদ পথ, গোপনীয় সাপোর্ট।
আরও জানুন
রোডম্যাপ

আমাদের ভিশন ২০৩০

২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে স্মার্ট নাগরিক নিরাপত্তার মডেল রাষ্ট্র হিসেবে গড়ার স্বপ্ন।

২০২৬
পাইলট প্রকল্প
ঢাকা মহানগরে পরীক্ষামূলক চালু। প্রাথমিক ১০,০০০ ব্যবহারকারী নিয়ে কার্যক্রম শুরু।
২০২৭
জেলা সম্প্রসারণ
সকল বিভাগীয় শহরে প্রসার। ১ লক্ষ স্বেচ্ছাসেবী নেটওয়ার্ক গঠন।
২০২৮
জাতীয় ইমার্জেন্সি নেটওয়ার্ক
৬৪ জেলায় সম্পূর্ণ কভারেজ। সরকারি জরুরি সেবার সাথে API ইন্টিগ্রেশন।
২০৩০
স্মার্ট সিটিজেন ইকোসিস্টেম
AI-চালিত পূর্বাভাস সিস্টেম ও IoT ইন্টিগ্রেশনসহ পূর্ণ জাতীয় নিরাপত্তা অবকাঠামো।
পিটিশন

আপনার স্বাক্ষরে
পরিবর্তন আনুন

আপনার একটি স্বাক্ষর হাজারো মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে। "এক ক্লিকে নিরাপত্তা" উদ্যোগকে নীতিনির্ধারকদের কাছে পৌঁছে দিতে আজই সই করুন।

  • জাতীয় ডিজিটাল জরুরি নীতি প্রণয়ন
  • SOS অবকাঠামো নির্মাণ
  • নারী ও শিশু সুরক্ষায় প্রযুক্তি
  • মানসিক স্বাস্থ্য সেবার ডিজিটালাইজেশন
  • কমিউনিটি ভলান্টিয়ার নেটওয়ার্ক
  • রক্তদান নেটওয়ার্কের জাতীয় সংযোগ
পিটিশনে স্বাক্ষর করুন
আপনার তথ্য সম্পূর্ণ নিরাপদ ও গোপনীয়।

তৃতীয় পক্ষের সাথে তথ্য শেয়ার করা হবে না।

স্বাক্ষর নিবন্ধিত হয়েছে!

ধন্যবাদ! আপনি এই আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।

খোলা চিঠি

আমাদের আহ্বান

নীতিনির্ধারক, সরকার, এনজিও ও সকল সচেতন নাগরিকের প্রতি।

মাননীয় কর্তৃপক্ষ ও দেশের সম্মানিত নাগরিকবৃন্দ,

আমরা — YAV Foundation ও People's Pulse Association-এর যৌথ উদ্যোগে গঠিত LiveCure Life — আজ একটি জরুরি আহ্বান নিয়ে উপস্থিত হয়েছি।

প্রতিদিন বাংলাদেশে হাজার হাজার মানুষ জরুরি পরিস্থিতিতে সঠিক সহায়তার অভাবে অকালে প্রাণ হারাচ্ছেন। সড়ক দুর্ঘটনায় আহত মানুষ সাহায্য না পেয়ে মারা যাচ্ছেন; রক্তের অভাবে রোগী মৃত্যুর সাথে লড়াই করছেন; নারী ও শিশুরা বিপদে নিরাপত্তা পাচ্ছেন না।

"এক ক্লিকে নিরাপত্তা" কোনো স্বপ্ন নয় — এটি একটি বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা। আমরা সরকারের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি: ডিজিটাল জরুরি সেবা অবকাঠামোকে জাতীয় নীতিতে অন্তর্ভুক্ত করুন। আমরা নাগরিকদের আহ্বান জানাচ্ছি: পিটিশনে স্বাক্ষর করে আপনার অবস্থান ঘোষণা করুন।

একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে আজই আমাদের সাথে যোগ দিন।

শ্রদ্ধার সাথে,

LiveCure Life পরিবার

YAV Foundation | People's Pulse Association

সমর্থকদের কথা

তারা বিশ্বাস করেন

"

আমার বোন একবার বিপদে পড়েছিল, সময়মতো সাহায্য পায়নি। LiveCure Life-এর মতো প্ল্যাটফর্ম যদি থাকত, হয়তো পরিণতি ভিন্ন হত।

ড. নাফিসা রহমান
চিকিৎসক, ঢাকা মেডিকেল কলেজ
"

একজন তরুণ উদ্যোক্তা হিসেবে আমি বিশ্বাস করি প্রযুক্তিই পারে বাংলাদেশকে বদলে দিতে। LiveCure Life সেই স্বপ্নের দিকে একটি বড় পদক্ষেপ।

আরিফুল ইসলাম
প্রযুক্তি উদ্যোক্তা, সিলেট
"

মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলার পরিবেশ আমাদের দেশে নেই। AI মানসিক সহায়তা ফিচার লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন পরিবর্তন করতে পারে।

তানিয়া খানম
মনোবিজ্ঞানী ও সমাজকর্মী
"

রক্তদান নেটওয়ার্ক ডিজিটাল হলে কত রোগী বাঁচত! এই উদ্যোগ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ুক — আমি স্বেচ্ছাসেবী হতে প্রস্তুত।

মো. রাফি হাসান
স্বেচ্ছাসেবী রক্তদাতা, চট্টগ্রাম
প্রশ্নোত্তর

আপনার প্রশ্নের উত্তর

আমার ব্যক্তিগত তথ্য কি নিরাপদ?
আপনার সমস্ত তথ্য এনক্রিপ্টেড এবং সুরক্ষিত। কোনো তৃতীয় পক্ষের সাথে শেয়ার করা হয় না।
SOS সিস্টেম কীভাবে কাজ করে?
SOS বাটনে চাপ দিলে পূর্বনির্ধারিত কন্টাক্টে লাইভ লোকেশনসহ অ্যালার্ট যাবে। নিকটস্থ স্বেচ্ছাসেবী ও জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠানেও নোটিফিকেশন পৌঁছাবে।
রক্ত নেটওয়ার্কে কীভাবে যোগ দেওয়া যাবে?
অ্যাপে রক্তের গ্রুপ ও তথ্য দিয়ে নিবন্ধন করলেই হবে। প্রয়োজনের সময় স্বয়ংক্রিয় নোটিফিকেশন পাবেন।
মানসিক স্বাস্থ্য AI কতটা নির্ভরযোগ্য?
বিশেষজ্ঞ মনোবিজ্ঞানীদের তত্ত্বাবধানে ডিজাইন করা। প্রাথমিক কাউন্সেলিং দেয় এবং গুরুতর ক্ষেত্রে মানব বিশেষজ্ঞের সাথে সংযুক্ত করে।
এই পিটিশন কি সত্যিই পরিবর্তন আনবে?
পিটিশনটি সংসদ সদস্য, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হবে। গণস্বাক্ষর নীতিনির্ধারকদের কাছে শক্তিশালী বার্তা পাঠায়।